যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন নিন
রিপেয়ার খরচ ৯০% পর্যন্ত কমান
গাড়ি দ্রুত বিক্রি করুন (২৪ ঘন্টায়)
👍 1000+ Certifications delivered
গাড়ির ২৫ টি অংশের হেলথ রিপোর্ট পাওয়া যাবে
গাড়ি নস্ট হলে ৯০% পর্যন্ত খরচ দেবে যান্ত্রিক
গাড়ি বিক্রি করা যাবে অনেক দ্রুত (২৪ ঘন্টায়)

সার্টিফিকেশন প্যাকেজ সিলেক্ট করুন
প্রিমিয়াম প্যাকেজে যা পাবেন
গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ ২৫ টি অংশের প্রতিটির হেলথ কন্ডিশন, সম্ভাব্য মেয়াদ এবং মেয়াদের ভেতর সর্বোচ্চ ৯০% পর্যন্ত রিপেয়ার কভারেজ পাওয়া যাবে। সাথে পাওয়া যাবে ফ্রি জিপিএস ট্র্যাকার!

গাড়ির রিপেয়ার খরচ কেন এত বেশি লাগে?
বাংলাদেশের ৯০% গাড়িই মূলত পুরনো। ফলে, নতুন গাড়ির তুলনায় এগুলোর মেইনটেইনেন্স দরকার হয় অনেক বেশি।
অথচ, আমরা সাধারণত আগে থেকে গাড়ির হেলথ চেক করে কোন প্ল্যানড মেইনটেইনেন্স করিনা। বড় কোন সমস্যা ধরা পড়লে তখনই শুধু রিপেয়ার করি।
কিন্তু এভাবে রিপেয়ার এর খরচ অনেক বেড়ে যায়, কারণ সমস্যা বড় হওয়ার আগে টের পাওয়া যায়না সহজে।
পাশাপাশি, অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ/অসৎ টেকনিশিয়ান কিংবা ড্রাইভারদের দৌরাত্মের কারণে খরচ বেড়ে যায় আরও অনেক বেশি।

যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন কিভাবে খরচ কমাবে?
বেশ কিছু রিসার্চ এ দেখা গেছে, গাড়ির হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী আগে থেকেই প্ল্যান করে গাড়ির মেইনটেইনেন্স করলে গাড়ির রিপেয়ার খরচ কমে যেতে পারে ৩০% থেকে ৫০% পর্যন্ত!
যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন নিলে গাড়ির ডিটেইল হেলথ কন্ডিশন জানা যাবে আগে থেকেই, এবং সে অনুযায়ী সময়মতো গাড়ির সঠিক মেইনটেইনেন্স করে ভবিষ্যতের বড় খরচ কমিয়ে ফেলা যাবে অনেক বেশি।
আর, যান্ত্রিক সার্টিফাইড কার এর রিপেয়ার কভারেজ নিলে (প্রিমিয়াম প্যাকেজ), এই খরচ কমবে আরও অনেক বেশি। কারণ, রিপেয়ার কভারেজ থাকায় গাড়ির কোন সমস্যা হলে যান্ত্রিক নিজেই বহন করবে রিপেয়ার খরচের বড় অংশ (সর্বোচ্চ ৯০%)
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ৩ থেকে ৫ বছরের হিসেবে করলে যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন নিলে রিপেয়ার খরচ বাঁচানো সম্ভব ১ লাখ টাকা থেকে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত!

যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন নিলে কেন গাড়ি দ্রুত বিক্রি করা যাবে?
সাধারণত পুরনো গাড়ি বিক্রি করতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় (ক্ষেত্রবিশেষে ৩ থেকে ৬ মাস), এবং অজস্র ক্রেতাকে গাড়ি দেখাতে হয়।
এর মূল কারণ হচ্ছে, ক্রেতারা গাড়ির কন্ডিশনের উপর আস্থা পান না। কেনার পর কোন সমস্যা হলে কেউ দায়িত্ব নেবেনা। সেজন্য ক্রেতারা অজস্র গাড়ি দেখেও কেনার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না সহজে।
আপনার গাড়ির জন্য যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন নিলে সেই সার্টিফিকেট এর উপর ভিত্তি করে ক্রেতারা সহজে এবং দ্রুত কেনার সিদ্ধান্ত নেবেন।
ফলে, গাড়ি দ্রুত বিক্রি করা যাবে এবং অযথা অনেক বেশি কাস্টমারকে গাড়ি দেখাতে হবে না।
কাস্টমার ফিডব্যাক
ইউরোপ আমেরিকায় এরকম সিস্টেম দেখেছি। বাংলাদেশে দেখবো, ভাবিনি। যান্ত্রিক এর জন্য শুভেচ্ছা।
পুরনো গাড়ি কিনতে গিয়ে এতদিন অনিশ্চয়তায় ভুগতাম। এরপর গাড়ি কিনলে যান্ত্রিক সার্টিফাইড ছাড়া কিনবোনা
আমার গাড়িটার সার্টিফিকেশন করিয়ে নিয়েছি। এখন আর চিন্তা নেই, গাড়ির কোন সমস্যা হলে খরচ দেবে যান্ত্রিক 🙂
এটা অসাধারণ একটা সল্যুশন। আমার গাড়ির পুরো হেলথ কন্ডিশনটা আমি এখন পেয়ে গেছি। অন্ধের মতো আর গাড়ি চালাতে হবেনা
আমার গাড়িটা বিক্রি করতে গিয়ে যা হয়রানি হয়েছিল! যান্ত্রিক সার্টিফিকেশনটা তখন থাকলে কোন চিন্তাই ছিলনা
আমার গাড়ি এখনও নেই, কিন্তু থাকলে অবশ্যই যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন নিতাম
কমন প্রশ্ন ও উত্তর
গাড়ির রিপেয়ার খরচ কমাতে
এখনই যান্ত্রিক সার্টিফিকেশন বুকিং করুন